ঝিকরগাছার তৌফিক হত্যায়  জড়িত কেসমত বাবু গ্রেফতার

আরো পড়ুন

নিজস্ব প্রতিবেদক 
যশোরের ঝিকরগাছায় পরকীয়ার জেরে তৌফিক (২১) ছুরিকাঘাতে হত্যায় জড়িত কেসমত বাবু ওরফে ক্যাসেট বাবুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রোববার ভোলার দৌলতখান থানার দক্ষিণ জয়নগর গ্রামের খালু  জয়নাল আবেদীনের বাড়ি থেকে ক্যাসেট বাবুকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত কেসমত বাবু ঝিকরগাছার কাটাখাল জামতলা মোড়ের কাসেম মোড়লের ছেলে। সোমবার পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন  বলেন, ২১ জানুয়ারি সকালে ভোলা জেলার দৌলতখান থানাধীন দক্ষিণ জয়নগর গ্রামস্থ তার খালু জয়নাল আবেদীনের বাড়ি থেকে ক্যাসেট বাবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ক্যাসেট বাবু। তাকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’
পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন আরও  জানান, নিহত তৌফিক ও আসামি ক্যাসেট ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।  বন্ধুত্বের সূত্র ধরে তৌফিক  আসামির বাড়িতে অবাধ যাতায়াত করত। একপর্যায়ে তৌফিকের সাথে ক্যাসেট বাবুর স্ত্রী রিয়া খাতুনের ঘনিষ্ট সর্ম্পক হয়। সম্পর্কের বিষয়টি বাবু জানতে পারে। সন্দেহ করে তৌফিকের সাথে রিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক আছে। এ নিয়ে বাবু ও রিয়ার মধ্যে  ঝগড়া বিবাদ হয়। তখন বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে তৌফিককে  হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনার দিন বাবু মিমাংসার কথা বলে কৌশলে তৌফিককে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। ভিকটিম বাবুর বাড়িতে যাওয়ার পর রিয়ার সাথে তৌফিকের সম্পর্কের বিষয় নিয়ে বাবু ও তৌফিকের মধ্যে ব্যাপক ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়।
একপর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক  বাবু তার ঘরে থাকা চাকু দিয়ে তৌফিকের পেটে আঘাত করলে তার পেট থেকে নাড়ী, ভুড়ি বের হয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। তখন রিয়া তৌফিকের চিকিৎসার জন্য ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌফিকের অবস্থায় অবনতি দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল যশোরে রের্ফাড করে। ভিকটিমকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল যশোরে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলা হয়েছে।
জাগো/জেএইচ 

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ