প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই। কারচুপির চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রচারণার সময় অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনা ঘটে। এবার প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে বার্তা দিয়েছি এই বিষয়গুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। একই সঙ্গে প্রার্থীদের প্রতি আবদার হচ্ছে আপনারাই নির্বাচনের মাঠকে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ রাখবেন।
সিইসি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ভোট পাল্টাতে পারেন না। কেন্দ্রে কেন্দ্রে ফল ঘোষণা হয়। প্রার্থীরা ঘরে বসেই জানতে পারেন ফলাফল। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ভোট করতে বিদেশিরা তৎপর রয়েছে। এজন্য প্রার্থীদের কাছে সহযোগিতা চাচ্ছি। আপনাদের বলব সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন। ভোটারদের ভোট দিতে হবে, অন্য কেউ তাদের ভোট দিয়ে দেবে এটা হবে না।
সিইসির এই বক্তব্যের ফলে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এতে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়তে পারে।
নির্বাচনে কারচুপি রোধে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো
- ভোটগ্রহণে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার
- প্রার্থীদের প্রতীক নিবন্ধন ও প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ
- ভোটগ্রহণের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
এই পদক্ষেপগুলোর ফলে নির্বাচনে কারচুপির সম্ভাবনা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাগো/আরএইচএম

