যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অষ্টম শ্রেণিত পড়ুয়া ১৩ বছরের এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন মেয়ের পিতা।
বুধবার (১২ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর শহরের বেজপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এম.এস.টি.পি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সে বেজপাড়ার আলমগীর হোসেনের মেয়ে।
যশোরের প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিণ বলেন, খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আহাদ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন। এ সময় বিয়ে আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে মেয়ের পিতার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। যাতে মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ের আয়োজন করবেন না।
তিনি আরও বলেন, যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জুলফিকারে সাথে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করে পরিবার। বিয়ের জন্য শহরের বিসমিল্লাহ কমিউনিটি সেন্টারে লাইটিং ও প্যান্ডেল করে তারা। একই সাথে বিয়ের জন্য মেয়েকে পার্লার থেকে সাজিয়ে আনা হয়। পরে বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আহাদ বলেন, বাল্যবিবাহ আইন, ২০১৭ এর ৮ ধারায় মেয়ের পিতাকে ৫হাজার টাকা জরিমানা এবং ১০ ধারা অনুযায়ী মেয়ের পিতার কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়। প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না মর্মে।
জাগো/আরএইচএম

