চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার পিরোজখালি গ্রামে মা জবেদা খাতুন (৫০) হত্যার শিকার হয়েছেন এবং তার ছেলে মুকুল হোসেন (২৮)কে এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে চুয়াডাঙ্গার আদালত। বুধবার এই ঘটনায় জেলা ও দায়রা জজ জিয়া হায়দার রায় ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. বেলাল হোসেন জানান, মুকুল হোসেন নিজের মা জবেদা খাতুনকে ধারালো হাসুয়া দিয়ে হত্যা করেছে, এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে প্রদান করা হয়েছে। মামলার একমাত্র আসামি মুকুল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তার খিলাফ রায় ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার পক্ষ থেকে পিপি মো. বেলাল হোসেন জানান, নিহত জবেদা খাতুন হলেন সদর উপজেলার পিরোজখালি গ্রামের মো. আসান আলীর স্ত্রী। ২০২১ সালের ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জমিজমা নিয়ে বিরোধে মুকুল হোসেন তাকে হত্যা করে।
মো. বেলাল হোসেন আরো জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছিল এবং এই মামলায় মুকুল হোসেনের খিলাফ সাক্ষীদের প্রমাণ হিসেবে মোট ২১ জন সাক্ষী উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলির মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীকে পরীক্ষা করে সাক্ষ্য প্রমাণে ছেলে মুকুল হোসেনের খিলাফ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

