ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন।
জেলা প্রশাসন ত্রাণ ও নির্মাণ সামগ্রীর জন্য ৫০ লাখ টাকা, ৫০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল টিন এবং পাঁচ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। তবে এই ত্রাণ অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ করেছেন দুর্গতরা।
কক্সবাজারের সমিতিপাড়া এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শারমিন আক্তার বলেন, “গত তিন দিনে আমরা কোনো ত্রাণ পাইনি। বাড়িতে কোনো খাবার বা টাকাও নেই। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুধু চাল ধার নিচ্ছি।”
একই এলাকার আরেক নারী আয়েশা খাতুন বলেন, “কম ক্ষতিগ্রস্ত কিছু মানুষ ত্রাণ পেয়েছে কিন্তু যারা ঘূর্ণিঝড়ে সর্বস্ব হারিয়েছে তারা কিছুই পাচ্ছেন না।”
ঘূর্ণিঝড়ের শিকার আব্দুল কাদের বলেন, “আমাদের টিন-বাঁশসহ নির্মাণ সামগ্রী দরকার কিন্তু টাকা নেই। আমরা এখন খোলা আকাশের নিচে দিন পার করছি।”
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেছেন, “ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক ছিল। আমরা ত্রাণ ও নির্মাণ সামগ্রীর জন্য আরও ত্রাণ বরাদ্দ করব।”

