পদ্মা নদী থেকে বারবার অভিযান চালিয়েও বন্ধ করা যায়নি অবৈধ বালু উত্তোলন। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা দেয়া এলাকার ১১টি পয়েন্ট থেকে এখনো প্রকাশ্যেই অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে।
অপরিকল্পিতভাবে বালু তোলায় তীব্র ভাঙন দেখা দিচ্ছে পাড়ে। প্রায় প্রতিদিনই শতাধিক বড় বড় নৌকা করে বালু নিয়ে যাওয়া হচ্ছে প্রকাশ্যেই।
চলতি বছরের শুরুর দিকে নদীপাড়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার স্বার্থে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থেকে ঈশ্বরদী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ এলাকা পর্যন্ত বালু তোলায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তারপরও অনেকটা প্রকাশ্যে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটরা ১১টি পয়েন্টে নদীতে অসংখ্য ছোট বড় ড্রেজার ও চোষক মেশিন বসিয়ে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করছেন।
এই চক্রটি কখনো উচ্চ আদালতের অনুমতির কাগজ দেখিয়ে, কখনো আবার নৌপুলিশকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উত্তাল পদ্মা নদীতে সহজে প্রশাসন অভিযান চালাতে পারে না- এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা বালু তুলেই যাচ্ছে।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা বলেন, উচ্চ আদালতের স্পস্ট নির্দেশ আছে গোয়ালন্দ থেকে পাকশী পর্যন্ত কোন বালুমহাল ইজারা দেয়া যাবে না। আমরা এই এলাকায় সব ইজারা বন্ধ রেখেছি।
তিনি বলেন, এসব এলাকায় বালু তোলা অবৈধ। আদালত থেকে বালু তোলা বন্ধ করার নির্দেশনাও দিয়েছেন। আমরা সেই মর্মে কাজ করছি। কিন্তু ভোগলিক সীমারেখার কারণে উত্তোলনকারীরা বারবার পাবনা জেলার মধ্যে পালিয়ে যায়। এবার দুই জেলা প্রশাসন মিলে যৌথ অভিযান চালানোর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার সকালে তিনি বলেন, পদ্মা নদীতে আজও প্রশাসনের অভিযান চলছে।

