হবিগঞ্জ সদরে ব্যবসায়ী আব্দুল হাইকে হত্যার ২৬ বছর পর একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আজিজুল হক আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানান।
নিহত ব্যবসায়ী আব্দুল হাই সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামের প্রয়াত আব্দুল রশিদের ছেলে। তিনি চামড়া ব্যবসায়ী ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আব্দুল ওয়াহিদ (৬০) একই গ্রামের প্রয়াত আলীম উল্লাহর ছেলে।
এদিকে মামলা চলাকালীন আব্দুর রশিদ নামের এক আসামি মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন আব্দুল গফুর, বাচ্চু মিয়া ও আব্দুল মালেক।
মামলার বরাতে এপিপি সালেহ উদ্দিন বলেন, আব্দুল হাইয়ের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ধার নেন আব্দুল ওয়াহিদ ও আব্দুর রশিদ। কিন্তু টাকা দেওয়ার নির্ধারিত তারিখ পার হয়ে গেলেও তারা টাকা ফেরত দেয়নি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার কথা কাটাকাটিও হয়। এক পর্যায়ে ১৯৯৭ সালের ১ জুন পাওনা টাকা চাইতে গেলে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আব্দুল হাই খুন হন বলে তিনি জানান। ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই আব্দুল ছফি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান এপিপি সালেহ উদ্দিন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আইনজীবী সালেহ উদ্দিন বলেন, রায়ে ন্যায় বিচার পেয়েছেন নিহতের স্বজনরা। এখন দ্রুত রায় কার্যকর করা হোক।
অপরদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মালেক জানান, এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন তারা।

