স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন যশোর আদালত। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আসামি আব্দুল হামিদ মোড়লকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্পেশাল পিপি সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা।
রোববার (১৮ জুন) যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল হামিদ মোড়ল শার্শা উপজেলার খাজুরা পশ্চিমপাড়ার মৃত জয়নুদ্দীন মোড়লের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৯ জানুয়ারি দুপুর ৩টার দিকে আব্দুল হামিদের সঙ্গে তার স্ত্রী আমেনা বেগমের ঝগড়া হয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হামিদ ঘরে থাকা দা দিয়ে আমেনার গলায় ও বাম হাতে কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করেন। তাৎক্ষণিক আমেনাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় মাকে হত্যার অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেন ছেলে বিল্লাল হোসেন মোড়ল। মামলাটি তদন্ত করে ২০১১ সালের ২৮ জুন আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শার্শা থানার এসআই এসএম আজিজুর রহমান। সর্বশেষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ এ মামলার রায় দেন আদালত। আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

