দুপুর সাড়ে ১২টায় বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র

আরো পড়ুন

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র কয়লা সংকটে শেষ-মেষ বন্ধই হয়ে যাচ্ছে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কেন্দ্রটি বন্ধ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক প্রকৌশলী। সোমবার (৫ জুন) সকালে তিনি জানান, কেন্দ্রটি সব মিলিয়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত চালানো যাবে। কয়লা সংকটে এর আগে তিন দফা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এবারই প্রথম পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হচ্ছে।

গত কয়েক দিন ধরেই দেশে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের বিষয়টি আলোচনা হচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও কেন্দ্রটি বন্ধের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘জ্বালানি সংকটের কারণে ৫ জুনের পর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র সাময়িক সময়ের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।’ ২৫ দিনের জন্য বন্ধ থাকতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর এক প্রকৌশলী সকালে বলেন, ‘এখন ৪০০ টনের মতো কয়লা মজুত আছে। এই কয়লা দিয়ে সাড়ে ১২টা নাগাদ কেন্দ্রটি চালানো যেতে পারে।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর বিল বকেয়া পড়েছে ৩০০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক সময় মতো ডলার ছাড় করতে রাজি না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। গত মাসে চীনা বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রর জন্য কয়লা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে বিপদে পড়ে পায়রা। তখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক তৎপর হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।

কেন্দ্রটিকে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে এখন ১০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। তা দিয়ে বড় জোর আর দু’মাস চালানো যাবে।

এদিকে জ্বালানি সংকট এবং তাপমাত্রা বেড়ে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় সারা দেশেই লোডশেডিং বেড়েছে। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের জানান, লোডশেডিং আরও কিছুদিন থাকবে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা কেনারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আরও ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।

এই অবস্থায় পায়রা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ায় লোডশেডিং আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রটির গত ২৫ মে প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। আজকে বাকি আরেক ইউনিটও বন্ধ হতে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ