যশোরে যানজট মুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াতের দাবিতে মিডিয়া ক্যাম্পেইন করেছে জনউদ্যোগ

আরো পড়ুন

যশোরে যানজট মুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াতের শহর চাই এই শ্লোগানে জনউদ্যোগের আয়োজনে মিডিয়া ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডে জনউদ্যোগের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জনউদ্যোগের প্রকৌশলী নাজির আহমেদ বলেন, যশোর শহরে দিনদিন যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে শহরে যানজট নিত্যদিনের চিত্র। যানজটে পড়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী অভিভাবক, অফিসমূখী মানুষ ও রোগীরা চরম বিপাকে পড়ছে। আমরা মনে করি এ শহরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চলছে রিকশা, ইজিবাইক ও থ্রি- হুইলার। এগুলো চলছে বেপরোয়া ও নিয়ন্ত্রহীন ভাবে। ইতোমধ্যে এ শহরে একজন চিকিৎসকসহ বেশ কয়েকজন ইজিবাইক দুর্ঘটনায় অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। কিছুদিন আগে একজন নারী আইনজীবীর সাথে এক রিকশা চালকের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। শহরে শৃঙ্খলাহীন যান চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। শহরে যান চলাচলের ধরন দেখে মনে হয়না যে এখানে ট্রাফিক ব্যবস্থ আছে। শুধু তাই নয় অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় রিকশা, ইজিবাইক ও থ্রি হুইলার বেশি চলছে। এ শহরে মানুষের চলাচলের জন্য কত রিকশা, বাইক প্রয়োজন এমন কোনো হিসাব পৌর কর্তৃপক্ষের নেই। কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে ১৫শ রিকশা ও তিনহাজার ইজিবাইকের লাইসেন্স আছে। অথচ চলছে তার তিনগুন। আর তাই এ শহরে পথ চলতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নাগরিক সমাজ। শহরে পায়ে হেঁটে চলাচল বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। ফুটপাত যা আছে তা জনগণ ব্যবহার করতে পারেন না। ফুটপাত সব চলে গেছে হকারদের দখলে। জনউদ্যোগ মনে করে স্মার্ট যশোর গড়তে এখনই কর্তৃপক্ষের উচিত পরিকল্পনা করে সামনে এগুনো। আমরা কয়েকটি প্রস্তবনা তুলে ধরলাম মাত্র।

জনউদ্যোগের স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে , শহরের সকল সড়ককে একমুখী যাতায়াত ব্যবস্থা চালু করা। প্রয়োজনে লাইন্সে নিশ্চিত করতে হবে। শহরে পাবলিক পরিবহন চালু করা, সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, উন্মুক্ত ফুটপাত । অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় ফ্লাইওভার নির্মান, পরিকল্পিত বাজার ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচী তৈরী করা, ফুটওভার ব্রীজ ও আন্ডারপাস নির্মাণ করতে হবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ