গরমে ঘরে বাইরে সবখানেই অস্থির অবস্থা। মনে হচ্ছে সব সময় সঙ্গে করে ফ্যান-এসি নিয়ে চলতে পারলেই ভালো হতো। কিন্তু তা তো আর সম্ভব না। আবার সবার বাসায় এসি লাগানোও সম্ভব নয়। এ অবস্থায় এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা করা গেলে তো ভালোই হয়।
জানালার ব্যবহারেই ঘর থাকবে ঠান্ডা
এক্ষেত্রে মূল ভূমিকাটা অবশ্য জানালার। বাইরে থেকে যখন গরম বাতাস ঢুকছে, তখন তাকে ঢুকতে না দেওয়াই ভালো। সবগুলো জানালা বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। এতে ঘরের বাইরে থেকে ঘরে তাপ বা গরম বাতাস ঢুকতে পারবে না। অধিকাংশ জানালা যেহেতু আমাদের দেশে কাচের, সেক্ষেত্রে গাঢ় রঙের পর্দা দিয়ে জানালা ঢেকে দিতে হবে। যত বেশি এ অবস্থায় রাখা যাবে, তত বেশি সময় ঘর ঠান্ডা থাকবে।
সূর্যাস্তের পর জানালাটা খুলে দিতে হবে। বাসা যদি খোলামেলা হয়, এবং ঘরে দুটি জানালা থাকে, তাহলে দুটিই খুলে দিতে হবে। যাতে একটি দিয়ে বাতাস ঢুকে অন্যটি দিয়ে ঘরের গরম বাতাস বের হয়ে যেতে পারে।
ছাদবাগানেও কিছুটা ঠান্ডা থাকে পরিবেশ
তবে কোনো ঘরে যদি একটাই জানালা থাকে, তাহলে সেটি খুলে দিয়ে তার মুখোমুখি একটি টেবিল ফ্যান রাখতে হবে। ফ্যান চালালে ঘরের গরম বাতাস টেনে বাইরে বের করে দেবে সেটি। আর ঘরের সেই বায়ুশূন্য স্থান দখল করবে ঠান্ডা বাতাস। এভাবে ঘর ঠান্ডা রাখা যায়।
আবার ঘরে কিছু গাছ থাকলে সেগুলোও ঘরের কিছুটা গরম টেনে নেয়। এতে বায়ু বিশুদ্ধও থাকে, ঠাণ্ডাও থাকে। ফলে ঘরে ঠান্ডা আবহ বজায় থাকে।
এমনিতে বাসাটি যদি ভবনের সবচেয়ে উঁচু ফ্লোরে হয় তাহলে রোদের প্রভাবটা নিঃসন্দেহে বেশি হয়। সেক্ষেত্রে ছাদবাগানের মাধ্যমেও ঘরের ছাঁদ অনেকখানি ঠান্ডারাখা সম্ভব।

