বিনাখরচে কিডনি প্রতিস্থাপন

আরো পড়ুন

বেসরকারি হাসপাতালে লক্ষাধিক টাকা লাগলেও সরকারিভাবে সম্পূর্ণ বিনাখরচে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিস অ্যান্ড ইউরোলজি (এনআইকেডিইউ) হাসপাতালে।

কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত বাবুল মোল্লা নামের একজন ৪১ বছর বয়সী রোগীর দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ২০১৮ সালে সংশোধিত বাংলাদেশে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন মেনে বাবুল মোল্লাকে কিডনি দান করেন তার স্ত্রী মদিনা বেগম। বর্তমানে তারা দুইজনেই সুস্থ রয়েছেন।

রবিবার (৩০ এপ্রিল) এই তথ্য নিশ্চিত করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিস অ্যান্ড ইউরোলজি (এনআইকেডিইউ) হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাবরুল আলম।

ডা. বাবরুল বলেন, শনিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে আমাদের হাসপাতালেই বাবুল মোল্লাহর কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। ২০১৮ সালে সংশোধিত বাংলাদেশে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন মেনে বাবুল মোল্লাকে কিডনি দান করেন তার স্ত্রী মদিনা বেগম। বর্তমানে তারা দুইজনেই সুস্থ আছেন।

তিনি বলেন, ‍কিডনি বিকল রোগের সর্বোত্তম চিকিৎসা হচ্ছে কিডনি প্রতিস্থাপন। আগামী দিনগুলোতে প্রতি শনিবার অন্তত একটি করে কিডনি প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য আছে আমাদের। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে যেনো করতে পারি সেটার চেষ্টাও চালিয়ে যাব।
বিজ্ঞাপন

তিনি আরো বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কিডনি প্রতিস্থাপনে লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন হয়। তবে সরকারিভাবে আমরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রতিস্থাপন করেছি কিডনি। এক্ষেত্রে কিডনি দাতা ও গ্রহীতার যাবতীয় প্যাথলজিক্যাল টেস্টও সরকারিভাবে হাসপাতালেই করা হয়েছে। রোগীর শুধুমাত্র ওষুধের কিছু খরচ বহন করতে হয়।

২০১৮ সালে সংশোধিত বাংলাদেশে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন মেনে যারাই কিডনি প্রতিস্থাপন করতে চাইবেন তাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে আমরা সেবা দিয়ে যাব বলেও জানান ডা. বাবরুল।

তিনি বলেন, এনআইকেডিইউকে কিডনি রোগের চিকিৎসায় দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে আমরা সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা আশা করছি আমরা।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ