পেঁয়াজ আমদানী হচ্ছে না। ছয় দিন আগে বেনাপোল ও ভোমরা বন্দর দিয়ে এ পণ্য আসা বন্ধ হযেছে। সামনে রোজার কারণে চাহিদা বেড়েছে। মঙ্গলবার খুলনায় প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হযেছে। সোমবারের দাম ছিলো ৩৫ টাকা, আমদানী বন্ধের দিন ১৫ মার্চ ২৮- ৩০ টাকা দরে বিক্রি হযেছে।
ফাল্গুন-চৈত্র পেঁয়াজের ভরা মৌসুম। খুলনার কদমতলা আড়তে ভাতি পেঁয়াজের মজুদ বেড়েছে। ফরিদপুর, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, মাগুরা, শৈলকুপা ও ঝিনাইদহে এবার অধিক লাভের আসায় পতিত জমিতেও পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। শৈলকুপায় সাপ্তাহিক হাটে শ’ শ’ বস্তা পেঁয়াজ আমদানি হয। রবিবার শিবচর হাটে বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় আড়তদারা বলেছেন, রোজার কারণে চাহিদা দ্বিগুণ। এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ হওয়ায়, দক্ষিণ জনপদের হাটে পেঁয়াজের বাজার চাঙ্গা হয়েছে।
নতুনবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী শহীদুল স্টোরের মালিক রাসেল হোসেন জানান আমদানী বন্ধ হওয়ার পর দুইদফা মুল্য বেড়েছে। গত শনিবার প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বুধবার (২১ মার্চ) ৩৫ টাকা, আজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়। তিনি বলেন, বিক্রির পরিমান কমেছে।
বড় বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মিরান হোসেন বলেন, গেল রমজানের তুলনায় এবার বিক্রি তেমন বাড়েনি। মুলত ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হবার পর বাজারের উর্দ্ধগতি হয়েছে।
বড় বাজারের আড়তদার নিউ আব্দুল্লাহ ভাণ্ডারের মালিক কামরুল ইসলাম জানান, অগ্রাহায়ণ- মাঘ পর্যন্ত মুড়ি কাটা পেঁয়াজের চাহিদা ছিল, এখন চাহিদা ভাতি পেঁয়াজের। অভ্যান্তরীণ বাজারে দাম বাড়লেও চাষীরা বাড়তি দাম পাচ্ছে না। আমদানী বন্ধের সুফল চাষীদের ঘরে যাচ্ছে না।
মেহেদী বাণিজ্য্য ভাণ্ডারের মালিক শেখ আবুল হোসেন জানান, হঠাৎ বাজার অস্থিশীল হওয়ায় ব্যাপারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

