বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ারের র্যাংকিংয়ে রবিবার ৯টা ২১ মিনিটে বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ঢাকা। আগের দিন শনিবার এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল রাজধানী শহর।
আইকিউএয়ারের তথ্য মতে, ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ২২ গুণ বেশি। আগের দিন শনিবার সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে বাতাসে এই পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৫৫ দশমিক ৪ গুণ বেশি।
সুইস প্রতিষ্ঠানটির র্যাংকিংয়ে, বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে আজকের ওই সময়ে প্রথম অবস্থানে ছিল ঘানার আক্রা। এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছিল ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোর শহর।
নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো না কি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটি।
আইকিউএয়ারের র্যাংকিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র্যাংকিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ৩০০ এর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।
আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭৯। অর্থাৎ নির্দিষ্ট ওই সময়ে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসে শ্বাস নিতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।
আগের দিন শনিবার ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৩২৭। অর্থাৎ ওই দিন সকাল ১০টা ৫৯ মিনিটে ‘বিপজ্জনক’ বাতাসে শ্বাস নিতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।


Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.