যশোরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশে সিগারেট বিক্রির দোকান না রাখার আহবান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) তমিজুল ইসলাম খান।
রবিবার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় দোকানদারদের প্রতি তিনি এই আহবান জানান। এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এছাড়া শহরের স্বনামধন্য কয়েকটি বিদ্যালয়ে ১০০ গজের মধ্যে সিগারেটের দোকানে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করাও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনা বৃদ্ধিতে বিদ্যালয় গুলোতে ‘তামাক ও মাদকের বিরুদ্ধে’ সচেতনতামুলক সভা করার আহবান জানানো হয়। জেলা প্রশাসকের অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান।
সভায় জানানো হয়, সম্প্রতি যশোরের একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষাসফরের বাস দুর্ঘটনায় কবলিত হওয়ায় অভিভাবক মহলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই জেলার কোরো না কোরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা সফরে যাচ্ছে। অভিভাবকের সম্মতি নিয়েই শিক্ষার্থীদের পিকনিকে নিয়ে যেতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যশোরে বিভিন্ন সড়কে বাকের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে বেশি দাবি বিআরটিএ। ফলে এটি রোধে তারা স্থানগুলো চিহিৃত করছেন বলে সভায় জানানো হয়। এছাড়া ফিটনেস বিহীন পরিবহন সড়কে চলাচল করার কারনেই দুর্ঘটনা ঘটছে। সেটিও বন্ধে সভায় অনুরোধ করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানম, বাঘারপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ভিক্টোরিয়া পারভীন সাথী, জেলা শিক্ষা অফিসার একেএম গোলাম আযম, যশোর কারাগারে ডেপুটি জেলার আফরোজা ইয়াসমিন, র্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার লে. কর্ণেল নাজিউর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৌম্য চৌধুরী, মাদকের উপ-পরিচালক হুমায়ুন কবীর খন্দকার, যশোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোকসিমুল বালী অপু, রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, দুনীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হারুন অর রশীদ, ছাতিয়ানতলা ইউনাইটেড কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

