‘স্যারেদের কম্বল পেয়ে আল্লাহ ঠান্ডা থেকে বাঁচালো’

আরো পড়ুন

ঘন কুয়াশার পাশাপাশি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। হাড় কাঁপানো এই শীতে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এসময়ে রেল লাইন, ফুটপাত ও বস্তি এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুদের মধ্যে। শীতবস্ত্রের দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারছে না দুস্থরা। এরমধ্যে অনেকে খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

শীতে ফুটপাত ও বস্তি এলাকায় থাকাসহ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের শীতের কষ্ট লাগবে যশোরের শতাধিক মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম ও বাংলাদেশ প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক সমাজ।

শুক্রবার চৌগাছা উপজেলায়, যশোর শহরসহ বিভিন্ন জায়গায় ভাম্রমাণ দুঃস্থ ও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এতে কম্বল পেয়ে খুশি নিম্ন আয়ের মানুষের।

শীতের কম্বল পেয়ে খুশি চৌগাছার এনায়েত মোল্লা (৭০)। তিনি বলেন ‘এই ঠান্ডায় আমাদের কেউ একটা কাপড়ও দেয় নাই। ঠান্ডায় খুব কষ্ট করছি। আমরা গরিব মানুষ, টাকা পয়সা নাই। এ শীতে স্যারেদের কম্বল পেয়ে আল্লাহ ঠান্ডা থেকে বাঁচালো।IMG 20230106 WA0002

আলেকজান বিবি সন্তান নিয়ে শীতবস্ত্র নিতে আসেন। অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। তীব্র শীতে গরম কাপড় পেয়ে তার যেন খুশিতে মেতে ওঠে। কম্বল হাতে পেয়ে খুশি হয়ে আলেকজান বলেন, ‘সন্তানদের নিয়ে কয়েকদিন ধরে শীতে খুব কষ্ট করছি। ঠান্ডার কোনো কাপড়-চোপড় নাই। কোনো মতে এখন ঠান্ডা থেইকা বাঁচুম’।

উপস্থিত ছিলেন, ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম সভাপতি তপন কুমার মন্ডল, ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক সমাজ সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অভীজিৎ কুমার রায়, ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম’র সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম যশোরের সদস্য এবিএম ফারুকুল ইসলাম ও কৌশিক ইসলাম, বাংলাদেশ প্রাথমিক সরকারি শিক্ষক সমাজ’র চৌগাছা শাখার মেহেদী আল মাসুদ, ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম চৌগাছা উপজেলার সভাপতি নুরুল কবীর উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল রহমান, তরিকুল ইসলাম, হারুন রশিদ, অলিয়ার রহমান সুব্রত প্রমুখ।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ