রাজের সঙ্গে সংসার জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পরীমণি। থাকছেন না এক ছাদের নিচে। একরত্তি সন্তান রাজ্যকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন নায়িকা। শিগগিরই নাকি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটবেন তারা।
এদিকে পরী-রাজের বিচ্ছেদ নিয়ে নেটদুনিয়ায় তো চর্চা হচ্ছে, সেই সঙ্গে চলচ্চিত্রের মানুষ তাদের সমালোচনা করছেন। তাদের একজন পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তিনি আলোচিত এই দম্পতিতে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন।
পরী-রাজকে কাকের সঙ্গে তুলনা করে ঝন্টু বলেন, পরীমণিকে ইতোমধ্যে সবাই চেনে। এর আগেও নানান কারণে তাকে সমালোচিত হতে দেখা গেছে। জেলও খেটেছেন। যদিও তাদের সমসাময়িক সংসার টিকে থাকতে পারে। কোনো একদিন দেখা যাবে ভেঙে গেছে। আমার মতে পরীমণিও কাউয়া, রাজও কাউয়া; ওদের সংসার কোনোদিন টিকবে না। বরং আমাদের বরং আমাদের চলচ্চিত্রের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে এই দম্পতি। হয়তো নতুন প্রজন্ম ভাববে চলচ্চিত্র মানেই এরকম।
এই পরিচালক আরো বলেন, আমাদের সময় তো নায়িকা শাবানা, ববিতা, সুচরিতা, কবরীর মতো নায়িকাদের সংসার জীবন দেখেছি। তারা সিনেমার বাইরে এসব নিয়ে কখনেও মাথা ঘামাননি। আর এখন সবাই আসলে আলোচনায় থাকতে চায়। এগুলো চলতে চলতে আসলে প্যাশন হয়ে গেছে। তাতে আমাদের সম্মানহানী হচ্ছে। চলচ্চিত্রের মানুষের নাম শুনলেই এখন মানুষ আতংকে থাকে। তাদের আসলে এসব কে বুঝাবে। শুধু বলব ওদের আল্লাহ হেদায়েত দান করুক।
২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন পরীমণি ও রাজ। তবে খবরটি প্রকাশ্যে আনেন ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি। একইদিন আরও ঘোষণা করেন, সন্তান আসছে তাদের ঘরে। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করেন তারা। ওই বছরের ১০ আগস্ট পরীমণির কোলজুড়ে আসে রাজ্য।

