যশোরে অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলনের আশা

আরো পড়ুন

যশোরে গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় ৯ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে শর্ষের চাষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় খেতে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হচ্ছে ফলে ভালো ফলনের আশায় আছেন কৃষকেরা।

ছয় বছরের পরিসংখ্যান দিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৭-২০১৮ রবি মৌসুমে জেলায় শর্ষের আবাদ হয়েছিল ৯ হাজার ২৩০ হেক্টর জমিতে। ২০১৮-২০১৯ রবি মৌসুমে ৯ হাজার ৭৭৫ হেক্টর, ২০১৯-২০২০ রবি মৌসুমে ১৩ হাজার ৬৪০ হেক্টর এবং ২০২০-২০২১ রবি মৌসুমে শর্ষের আবাদ হয়েছিল ১৫ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে। ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে শর্ষে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৫ হাজার হেক্টর জমি। চাষ হয়েছিল ১৫ হাজার ২৮১ হেক্টর জমিতে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে খেতে বৃষ্টির পানি জমে জেলার ৩ হাজার ৪৮১ হেক্টর জমির শর্ষের ক্ষতি হয়। চলতি রবি মৌসুমে শর্ষে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার হেক্টর জমি। তবে আবাদ হয়েছে ২৪ হাজার ৩০২ হেক্টর জমিতে।

চলতি মৌসুমের শুরুতে শর্ষে চাষে উৎসাহী করতে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। জেলার ৩১ হাজার ৫০০ জন কৃষককে ১ কেজি করে বারি শর্ষে-১৪, বারি শর্ষে-১৭, বারি শর্ষে-১৮ ও বিনা শর্ষে-৯ জাতের বীজ এবং ১০ কেজি করে ডিএপি (ডাই অ্যামেনিয়াম ফসফেট) ও ১০ কেজি করে এমপি (মিউরেট অফ পটাশ) সার দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক বলেন, গত বছর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা এবার বেশি জমিতে শর্ষের চাষ করেছেন। তা ছাড়া কৃষকদের পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বারি শর্ষে-১৪ জাতের শর্ষের বপনের ৭৫–৮০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। গাছ লম্বা হওয়ায় এর পাতা মাটিতে ঝরে পড়ে জৈব সারের কাজ করে। বারি শর্ষ-১৪ জাতের শর্ষের আবাদের পর ওই জমিতে বোরো আবাদ করা যায়। বোরো আবাদে জমিতে সারের পরিমাণও কম লাগে।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ