যশোর প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোলাবেলায় প্রস্তুত যশোর জেলা প্রশাসক। এ লক্ষ্যে জেলায় ১৭টি আশ্রয় কেন্দ্র এবং জেলার প্রাথমিক ১২৯০ ও মাধ্যমিক ৯৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম, প্রস্তুত করা হয়েছে জরুরি চিকিৎসকদল ও অ্যাম্বুলেন্স। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঔষধ মজুদ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান।
এদিকে, যশোর বিমানবন্দর আওবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৬টা থেকে এ পযন্ত ১২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও যাত্রী ও কার্গ বিমান স্বাভাবিক ভাবে ওঠা নামা করছে বলে জানান বিমানবন্দর ম্যানেজার রেজাউল ইসলাম মাসুদ।
যশোর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান বলেন, অভয়নগর উপজেলায় ২টি, কেশবপুরে ৫টি, শার্শায় ১টি, মণিরামপুরে ৩টিসহ মোট ১১টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ৫টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১টি মজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ১২৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৯৩৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যশোর সকল স্বেচ্ছাসেবি, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
যশোর সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিকেট টিম গঠন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ঔষধ মজুদ করা হয়েছে এবং অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

