ফেসবুকে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা, কবীরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ১

আরো পড়ুন

যশোরে বিভিন্ন গাছগাছড়া দিয়ে ভেষজ ঔষধ তৈরি করে ফেসবুকে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে প্রতারণার অভিযোগে ইমরান খান (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের চাঁচড়া ডালমিল চোরমারা দিঘিরপাড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সোমবার (১৭ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়। প্রতারণা কাজে ইমরানের সহযোগী সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি এলাকার বহুলালোচিত কবীর হোসেন খন্দকারসহ পাচঁ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে।

আটক ইমরান খান শহরের নাজির শংকরপুর সন্যাসীর দিঘিরপাড় এলাকার আবু বক্কার খানের ছেলে। পলাতক কবীর হোসেন খন্দকার সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি এলাকার ছাতিয়ানতলা গ্রামের মল্লিকপাড়ার মৃত ওসমান খন্দকারের ছেলে। পলাতক অন্যরা হলো- চোরমারা দিঘিরপাড় এলাকার নাহিদ ও মামুন এবং হারুনার রশিদ বাপ্পি।

পুলিশ জানায়, ইমরান এবং মামলার আাসমিরা সংঘবদ্ধ প্রতারক দলের সদস্য। তারা বিভিন্ন ধরণের গাছগাছড়া দিয়ে ঔষধ তৈরি করে লোকজনের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেইজে আমাদের ভেষজ, কোরিয়ান জিংসেন বনজী ভান্ডার নাম দিয়ে ফেসবুকে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছিল। আর সেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের কাছে ননী ফলের জিংসেন নামক যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করে আসছিল। ফলে ওই ঔষধ সেবনের মাধ্যমে অনেক লোকই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

রবিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন কোতোয়ালি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক
(এসআই) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। জানা মুহুর্তেই তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শহরের চাঁচড়া ডালমিল চোরমারা দিঘির দক্ষিণ পাড়ে জাহিদ হোসেনের বাড়ির দ্বিতীয়তলা অভিযান চালায়। সেখান থেকে ইমরান খানকে আটক করা হলেও তার সহযোগী কবীর হোসেন খন্দকারসহ কয়েকজন পালিয়ে চলে যায়।

আটকের সময় ঘটনাস্থল থেকে থেকে ৬টি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার ও ৮টি মোবাইল ফোনসেটসহ ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়। এরপর ওই পাচঁজনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে সোমবার আটক ইমরানকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

তবে আটকের পর ইমরান খান পুলিশকে জানিয়েছে, পলাতক আসামি কবীর হোসেন খন্দকারের প্রকাশ্য সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গাছগাছড়া দিয়ে ঔষধ তৈরি করে লোকজনের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, এ প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন ভেষজ ঔষধ তৈরি করে অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে প্রতারণা করে আসছিলো। পুলিশ এ চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় মামলার অনান্য আসামিরা পালিয়েছে। পলাতক আসামিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ