যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের খিতিবদিয়া গ্রামে কুকুরের মুখ-মন্ডলে ন্যায় আকার নিয়ে জন্ম গ্রহন করেছে এক গরুর বাছুর। পরে জন্মের দুদিন পর শনিবার বাছুরটি মারাও গিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাছুরটি ওই গ্রামের হবিবর রহমানের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করে।
এদিকে ঘটনা জানাজানির পর বাছুরটিকে এক নজর দেখতে ভিড় জমায় গ্রামের শত শত মানুষ।
গরুর মালিক রহিমা বেগম জানান, তার গাভীটি গর্ভবতী হওয়ার পরও বাচ্চা হওয়ার নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও বাছুর হয়না। এমন অবস্থায় তিনি স্থানীয় এক পশু চিকিৎসকের পরামর্শে যশোর শহর থেকে একজন পশু চিকিৎসক নিয়ে বাচ্চা প্রসবের জন্য চিকিৎসা শুরু করেন। পরে অনেক চেষ্টার পর চিকিৎসকরা বাচ্চা ডেলিভারি করাতে সক্ষম হন। বাছুরটি ডেলিভারির পর মুখ মন্ডলের আকৃতি দেখে গরুর মালিকসহ চিকিৎসকরা হতবাক। তিনি আরও জানান বাছুরটির পিছনের দিক পুরো গরুর আকৃতি হলেও মুখমন্ডলটি কুকুরের মত ছিল, যা এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামের শত শত মানুষ ভিড় জমায় বাছুরটি এক নজর দেখতে।
বাড়ির মালিক হবিবার রহমান জানান, বাছুরটি বৃহস্পতিবার জম্ম নেওয়ার পর গতকাল শনিবার মারা যায়। ভয়ে আমার গাভীটি দ্রুত বিক্রি করে দিয়েছি।
খিতিবদিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম মিলন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বাছুরটির দেখতে পিছনের অংশ গরুর মত হলেও মুখমন্ডল কুকুরের মত ছিল। আবার গাল হাঁ করলে কিছুটা কুমিরের মত দেখা যাচ্ছিলো। যা দেখে গোটা এলাকাবাসী হতবাক হয়েছেন।
এ ব্যাপারে চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের পশু চিকিৎসক মাজেদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন তার আগেই বাছুরটি মারা গেছে। তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞানের ভাষা এটাকে প্রতিবন্ধী বাচ্চা বলা
হয়। এমন হতেই পারে। এক্ষেত্রে ভয়ে গাভী বিক্রি করার প্রয়োজন ছিল না।

