দেশে প্রতিদিন গড়ে ৭৫৯ জন মানুষ মারা যায় হৃদরোগে। বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে হৃদরোগে। প্রতি বছর দেশে ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষের প্রাণ যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এর প্রধান কারণ তামাক সেবন ও উচ্চ রক্তচাপ। তারা বলছেন, দেশে প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজনের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। একই ভাবে তামাক সেবনও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট বা হৃদরোগ দিবস।
হার্ট ফাউন্ডেশনের এপিডার্মিওলজির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, আমরা জানি হার্ট অ্যাটাক হলে যত দ্রুত চিকিৎসা পাবেন, আপনার বেঁচে ওঠার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে। সেই চিকিৎসা যদি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রেই দিতে পারি তাহলে অনেক সুবিধা হবে।
হৃদরোগের বড় কারনগুলো জীবনাচরণের সাথে জড়িত। যা এড়ানোর জন্য ইচ্ছা শক্তিই যথেষ্ট বলে মনে করেন অভিজ্ঞরা। ধূমপান, পরিশ্রম না করা এবং খাদ্যাভ্যাসকে হৃদরোগের জন্য দায়ী করা হয়। বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের দাবি, এসব কারণের ৮০ ভাগই নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশে বেশি।
জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন বলেন, ৪০ বছরের নিচে প্রায় ২০ শতাংশ রোগী আছে যারা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে আছে। ২০ শতাংশ মানুষই অকাল মৃত্যুর কবলে পড়ছে।
বায়ুদূষণকেও হৃদরোগের জন্য দায়ী করা হয় বলে জানান গবেষকরা। নিয়ন্ত্রণে সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রের ভুমিকাও আশা করছেন তারা।
হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে সৃশৃঙ্খল জীবনাচরন ও মানসিক চাপ মুক্ত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
জাগো/আরএইচএম

