যশোরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী মেম্বর গুরুতর আহত

আরো পড়ুন

যশোরের বাঘারপাড়ায় এক নারী ইউপি সদস্য (মেম্বর) খালেদা সুলতানা প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজের ঘরে এ হামলার শিকার হন।

খালেদা সুলতানা উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের ধূপখালি গ্রামের মাসুদ রানার স্ত্রী, ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি মহিলা সদস্য এবং উপজেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য।

এ বিষয়ে তার স্বামী বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে বাঘারপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ধূপখালী গ্রামের আবু বক্কার জমাদ্দার ও সাত্তার শিকদারকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য আসামিরা হলেন, বক্কার জমাদ্দারের ছেলে রিপন হোসেন, সাত্তার শিকদারের ছেলে করিম শিকদার ও মৃত কহেল জমাদ্দারের ছেলে আক্কাস জমাদ্দার।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা পাড়ার দোকানে আড্ডা দিতে যায়। এ সুযোগে আসামি রিপন ৭/৮ জনকে বাড়ির বাইরে রাখে, দুইজনকে উঠানে রাখে এবং করিম শিকদারকে সাথে নিয়ে খালেদার ঘরে ঢুকে ধারালো দাঁ দিয়ে মাথার মাঝখানে কোপ মারে। ঐরাতেই রক্তাক্ত আহত অবস্থায় তিনি বাঘারপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ডাক্তারের পরামর্শে তার মাথার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বামী মাসুদ রানা একজন বর্গাচাষী। সে একই গ্রামের কহিনূর রহমানের জমি চাষ করে। কোহিনূরের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলেছে অভিযুক্ত আসামি রিপনের। রিপন প্রায়ই মাসুদ রানাকে কহিনূরের জমি চাষ না করতে হুমকী দিতেন। উত্তরে মাসুদ রানা বলেন, এ বিষয়ে জমির মালিকের সাথে কথা বলার পরামর্শ দিতেন। এরপর তিনি (মাসুদ) তার নিজস্ব পাওয়ারটেলারের সাহায্যে বিরোধপূর্ণ জমি (৩৩ শতাংশ) চাষ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন ১০/১২জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় খালেদা খাতুনকে কূপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। রাতেই দুইজন অভিযুক্তকে আটক করেছে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আসামিদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন উপজেলা যুব মহিলালীগের আহবায়ক সালমা খাতুন ।

বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজউদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে মামলা এবং দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ