যশোরে গলায় ফাঁস দিয়ে কামরুন্নাহার কেয়া (১৮) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি পুলিশ লাইন কদমতলা এলাকার বাসিন্দা ও দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। গ্রামের বাড়ি মাগুরার সীমাখালির কুশখালি গ্রামের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৫ জুলাই) নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, লেখাপড়ার জন্য কেয়াকে তার মা বকাবকি করেছিলেন। মায়ের ওপর অভিমান করে নিজ ঘরে গিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় স্থানীয়দের সাহায্যে দরজা ভেঙ্গে গলায় ফাঁস অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহম্মেদ তারেক শামস জানান, দুপুরে কেয়া নামে এক ছাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে তার স্বজনরা। তার গলায় ফাঁস দেয়ার চিহ্ন রয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তদন্ত শেখ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, কেয়া নামের শিক্ষার্থী মায়ের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন। প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

