জোবাইদা রহমানকে পলাতক ঘোষণা করলেন আপিল বিভাগ

আরো পড়ুন

ঢাকা অফিস: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে দুর্নীতি মামলায় পলাতক আসামি ঘোষণা করে আপিল বিভাগ বলেছেন, পলাতক আসামির মামলা শুনে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে আইন বহির্ভূতভাবে জোবায়দাকে দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত সুবিধা।

বুধবার (১ জুন) জোবায়দা রহমানের দুর্নীতি মামলার ১৬ পাতার রায় প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ।

২০০৮ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ না করে কীভাবে হাইকোর্ট এই মামলা শুনলেন তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন আপলি বিভাগ।

এর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের দুর্নীতি মামলা চলবে বলে গত ১৩ এপ্রিল রায় দেন আপিল বিভাগ।

সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা দিয়ে আপিল বিভাগ বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সবাইকে সমান বলা হলেও জোবায়দা রহমানকে অতিরিক্ত সুবিধা দেয়া হয়েছিল।

এছাড়া হাইকোর্টের দেয়া আট সপ্তাহের মধ্যে জোবায়দার আত্মসমর্পণের আদেশ বাতিল করেন আপিল বিভাগ। পলাতক আসামি দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে কোনো আবেদন করতে পারবে না উল্লেখ করে আপিল বিভাগ বলেন, ২০০৮ সাল থেকেই পলাতক হিসেবে গণ্য হবেন জোবায়দা রহমান।

২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিকানা ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলা দায়ের করে দুদক। সে মামলায় তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে ২০০৭ সালে জোবায়দা রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি মামলা বাতিলের প্রশ্নে রুলও জারি করেন আদালত। এরপর জোবায়দা রহমানের মামলা বাতিলের প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে ২০১৭ সালে ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দেন আদালত। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন জানান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান।

এক-এগারোর সরকারের সময় গ্রেফতার হয়ে মুক্তি পাওয়ার পর ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে যান তারেক রহমান। এখনও তিনি সেখানেই রয়েছেন। জোবায়দা রহমানও লন্ডনে অবস্থান করছেন।

জাগো/এমআই

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ