যশোরের মণিরামপুরে আশা খাতুন (১৬) নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার বিজয়রামপুর গ্রামের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে স্বজনরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।
আশা বিজয়রামপুর গ্রামের আমিনুর বিশ্বাসের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্বজনরা জানান, মোবাইল চালাতে না দেয়ায় মায়ের ওপর অভিমান করে সে গলায় ওড়না জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় লেখাপড়া রেখে মোবাইল চালচ্ছিল আশা। সামনে পরীক্ষা হওয়ায় মা ফিরোজা বেগম মোবাইল কেড়ে নিয়ে মেয়েকে বকাঝকা করেন। এতে মায়ের ওপর অভিমান করে মেয়েটি। এরপর রাতে অন্যরা ঘুমিয়ে পড়লে বাড়ির ছাদের একটি কক্ষে গিয়ে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে আশা।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মঙ্গলবার সকালে হাঁটতে বের হন ফিরোজা বেগম। সেখান থেকে বাড়ি ফিরে মেয়েকে নিজের ঘরে খুঁজে পাননি তিনি। পরে বাড়ির ছাদে গিয়ে একটি কক্ষে মেয়েকে ঝুলতে দেখেন তিনি।
এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সকালে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। পরে স্বজনদের অনুরোধে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

