বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। নিম্নবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তও প্রতিদিনের ব্যয় নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় সাশ্রয়ী মূল্যে কয়েকটি নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে মানুষ ভিড় করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) খোলা ট্রাকের সামনে।
রবিবার (৬ মার্চ) থেকে আবারো সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গত ২৯ নভেম্বর থেকে টিসিবির ট্রাকে বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
গতকাল শনিবার সংস্থাটির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সব মহানগর, জেলা ও উপজেলার ডিলার পয়েন্টে টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পেঁয়াজ, মসুর ডাল, চিনি ও সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত এ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। তবে শুক্রবার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
টিসিবির ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকায়, মসুর ডাল ৬০ টাকায়, সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১১০ টাকায় এবং পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকায় কিনতে পারবেন। একজন ক্রেতা সর্বনিম্ন দুই থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি পেঁয়াজ, দুই কেজি মসুর ডাল, দুই কেজি চিনি ও পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন।
টিসিবির চার পণ্যে সাশ্রয় ৩৩০ টাকা
সয়াবিন তেল: খুচরা বাজারে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে দুই লিটারের বোতল ৩৬০ টাকা। টিসিবির ট্রাকে তা পাওয়া যাচ্ছে ২২০ টাকায়। দুই লিটারে সাশ্রয় হবে ১৪০ টাকা।
মসুর ডাল: খুচরা বাজারে দুই কেজি মসুর ডালের দাম ২০০ টাকা। আর টিসিবির ট্রাকে তা ১২০ টাকায় পাওয়া যায়। দুই কেজিতে সাশ্রয় হবে ৮০ টাকা।
চিনি: খুচরা বাজারে দুই কেজি চিনির দাম ১৬০ টাকা। টিসিবি তা বিক্রি করছে ১১০ টাকায়। দুই কেজি চিনিতে সাশ্রয় হবে ৫০ টাকা।
পেঁয়াজ: খুচরা বাজারে রবিবার প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিলো ৬০ টাকা। টিসিবির ট্রাকে তা ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই কেজি পেঁয়াজে সাশ্রয় হবে ৬০ টাকা।
এই হিসাবে দেখা যায়, টিসিবি থেকে কেউ যদি দুই কেজি করে তেল, ডাল, চিনি ও পেঁয়াজ কেনেন, তাতে তার খরচ হচ্ছে ৫১০ টাকা। খুচরা বাজার থেকে একই পরিমাণ পণ্য কিনতে লাগছে ৮৪০ টাকা। ফলে একজন ক্রেতার সাশ্রয় হচ্ছে ৩৩০ টাকা।
জাগো/নিউজরুম

