যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের সমালোচিত যুবদল নেতা জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা যুবদলের শীর্ষ নেতারা এ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
জামাল হোসেন সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কয়েকজন কর্মীকে হেনস্তা করা, ইয়াবা সেবনের অভিযোগ এবং সরকারি বিএডিসির একটি সেচ পাম্প দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দলীয়ভাবে তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও সদর উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, জামালের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি যুবদল নেতা জামালের ইয়াবা সেবনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। প্রথমদিকে ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করলেও পরে তিনি স্বীকার করেন যে ছবিটি অনেক আগের।
তবে জামাল হোসেন দাবি করেছেন, আসন্ন নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার জন্য তিনি জামায়াত নেতাকর্মীদের দায়ী করেন।

