চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের সাধারণ জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে এই উসকানিকে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্টের অপচেষ্টা আখ্যা দিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান পুলিশ।
:
গত কয়েকদিন ধরে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ধারাবাহিকভাবে ইরানিদের সরকারবিরোধী বিদ্রোহে নামার প্ররোচনা দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী একদিনে দুইবার ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ইরানের সাধারণ মানুষকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর উসকানি দেন।
:
বিদেশে শক্তির এই প্ররোচনার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের পুলিশ প্রধান আহমেদ রেজা-রাদান। দেশটির সরকারি টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “যারা শত্রুদের কথায় প্ররোচিত হয়ে এই মুহূর্তে রাস্তায় নামবে, তাদের সাধারণ বিক্ষোভকারী নয় বরং ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে যারা দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করতেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব একযোগে এই প্রচারণায় নেমেছে। যুদ্ধের ময়দানের পাশাপাশি এখন এই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

