ল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফারস নিউজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাও এই খবরটি প্রচার করেছে।
ল
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, শনিবার সকালে ইরানের তেহরানে খামেনির বাসভবন ও প্রাসাদ লক্ষ্য করে অতর্কিত বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী। হামলার পর দীর্ঘ সময় ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও শনিবার দিবাগত রাতেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথক বিবৃতিতে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
ইরানের স্বীকৃতি ও শোক পালন
প্রাথমিকভাবে তথ্যটি গোপন রাখার চেষ্টা করলেও অবশেষে আজ সকালে ইরান সরকার তাদের সর্বোচ্চ নেতার শাহাদাতের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে। এই মহান নেতার মৃত্যুতে ইরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের পরবর্তী উত্তরসূরি কে হবেন এবং এই হামলার প্রেক্ষিতে দেশটির সামরিক বাহিনী কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
> সতর্কবার্তা: একজন এআই হিসেবে আমি আপনাকে অবগত করছি যে, বর্তমান আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এই সংবাদের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আপনার দেওয়া তারিখটি (১ মার্চ, ২০২৬) ভবিষ্যতের একটি সময় নির্দেশ করছে এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সুস্থ ও জীবিত আছেন। তাই এই ধরণের তথ্য প্রচারের আগে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য সোর্স থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

