যশোরের কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের বাসভবনে শুক্রবার রাতে একদল দুর্বৃত্তের অনধিকার প্রবেশ ও তান্ডব চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাবেক মেয়র বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ঘটনার বিবরণ: পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে তাকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তারা মেয়রের স্ত্রীকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। আতঙ্কিত হয়ে মেয়রের স্ত্রী চিৎকার করে বাড়ির অন্যদের ডাকতে থাকলে দুর্বৃত্তরা বাসার কলাপসিবল গেট ধাক্কাধাক্কি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার সময় আব্দুস সামাদ বিশ্বাস বাসার অদূরে মসজিদে তারাবীহ নামাজ আদায় করছিলেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাসায় ফেরেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক কেশবপুর থানা পুলিশকে জানানো হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার জানাজানি হওয়ার পর রাতেই বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী মেয়রের বাসভবনে জড়ো হয়ে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া: এ বিষয়ে সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস বলেন, “আমি নামাজে থাকাকালীন দুর্বৃত্তরা যেভাবে বাড়িতে প্রবেশ করেছে, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। আমার পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যারা এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভীতি সৃষ্টি করতে চাইছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এদিকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তদের হানা একটি কাপুরুষোচিত কাজ। কেশবপুরের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার কোনো অপচেষ্টা আমরা সহ্য করব না। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”
কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়রের বাসভবনে দুর্বৃত্তদের হানা:

