সামনে স্থানীয় নির্বাচন: ইফতার মাহফিল ঘিরেই জমবে ভোটের রাজনীতি

আরো পড়ুন

: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনের রেশ না কাটতেই দেশের তৃণমূল রাজনীতিতে বইছে নতুন হাওয়া। সামনেই রয়েছে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন। কাকতালীয়ভাবে আজ থেকে শুরু হওয়া পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন মূল আলোচনায় উঠে এসেছে ‘ইফতার রাজনীতি’। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ইফতার মাহফিলগুলো শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং রণকৌশল নির্ধারণ ও শক্তি প্রদর্শনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
ইফতারের আড়ালে মাঠ গোছানোর প্রস্তুতি
নির্বাচনি বছরের রমজান সবসময়ই ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। এবারের
* সদ্য বিজয়ীদের কৃতজ্ঞতা: নবনির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রীরা প্রথম রমজানে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশে বড় বড় ইফতার আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
* বঞ্চিতদের নতুন লক্ষ্য: যারা সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি বা বিজয়ী হতে পারেননি, তারা এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন। ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছোট ছোট ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
* তৃণমূলের সাথে সংযোগ: ইফতারের মাধ্যমে মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম, এতিমখানায় খাবার বিতরণ ও দরিদ্রদের সহায়তা করে প্রার্থীরা নিজেদের
দ্রুত নির্বাচনের আভাস দিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
গতকাল সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানান:
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দ্রুত ঝুলে থাকা পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।
জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই নতুন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মন্ত্রীর এই ঘোষণার পর স্থানীয় পর্যায়ের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীরা নড়েচড়ে বসেছেন। অনেক এলাকায় একই দলের একাধিক প্রার্থীর আলাদা আলাদা ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নীরব প্রতিযোগিতা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তফসিল ঘোষণার আগেই রমজানের এই ইফতার রাজনীতি নির্বাচনের মাঠকে অনেকটাই স্পষ্ট করে তুলবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ