, যশোর: বৈশ্বিক মানবিকতা, সর্বধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত থাকার প্রত্যয়ে যশোরে শুরু হয়েছে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের ১৯১তম জন্মতিথি ও তিন দিনব্যাপী বার্ষিক উৎসব। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রথম দিনের কর্মসূচিতে ছিল আলোচনা সভা,
প্রথম দিনের মূল আকর্ষণ: স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ নিয়ে আলোচনা
উৎসবের প্রথম দিনে ‘স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও আদর্শ’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিবেকানন্দের আদর্শকে ধারণ করে সমাজ ও মানবিক উন্নয়নে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
: যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কমলেশ মজুমদার।
: আদ্-দ্বীন সখিনা উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় সাহা এবং যশোর সরকারি এম এম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. হরেকৃষ্ণ দাস।: যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বামী আত্মবিভানন্দ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি তপন রায়। সঞ্চালনায় ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ রাহা।
আলোচনা সভার আগে অভয়ন বসন্ত বাণী সংগীত অ্যাকাডেমির শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। এছাড়াও মণিরামপুরের পালাকার উজ্জ্বল হালদারের ‘রামায়ণ গান’ এবং সন্ধ্যায় স্বামী আত্মবিভানন্দ মহারাজের ‘শ্রীমদ্ভাগবত আলোচনা’ ভক্তদের মুগ্ধ করে। দুপুরে কয়েক হাজার ভক্তের মাঝে অন্ন প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
উৎসবের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে আধ্যাত্মিক ও তাত্ত্বিক আলোচনার সমাহার:
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি): ভোর ৫টায় মঙ্গলারতি ও বৈদিক স্তোত্র পাঠ। সকাল ১১টায় ‘শ্রীমা সারদাদেবীর জীবন ও আদর্শ’ শীর্ষক আলোচনা। এরপর রামায়ণ গান ও সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি): উৎসবের সমাপনী দিনে বিকেলে শ্রীমা সারদা দেবীর জীবন ও দর্শনের ওপর বিশেষ আলোচনা ও প্রার্থনার মাধ্যমে তিন দিনের এই মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটবে।

