য়শোরে অভিযান চালিয়ে ২ কেজি গাঁজাসহ শাহানারা বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাজিয়ালী পশ্চিম পাড়ায় আসামির নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক শাহানারা বেগম সাজিয়ালী গ্রামের তোরাপ আলীর স্ত্রী। অভিযান চলাকালে মাদক কারবারের সাথে জড়িত তার ছেলে নাইম হোসেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) রাফিজা খাতুন বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মা ও ছেলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মাদকের এই বড় চালান আটকের বিষয়ে সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিস্ময়করভাবে জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
ফাঁড়ি ইনচার্জের এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন:
* একই গ্রামে পুলিশ ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হলো, অথচ পুলিশ কিছুই জানে না—এটি রহস্যজনক।
* গ্রামের মাদক কারবারিদের সাথে পুলিশের সখ্যতা থাকার কারণে অনেক সময় জেনেশুনেও নীরব ভূমিকা পালন করা হয়।
* এলাকাবাসীর দাবি, পুলিশ আন্তরিক হলে বাড়ির পাশের এই মাদক ব্যবসা অনেক আগেই বন্ধ হতো।
পলাতক আসামি নাইম হোসেনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে, খোদ পুলিশ ফাঁড়ির নাকের ডগায় মাদক ব্যবসার এমন চিত্রে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

