ইনকিলাব পার্টির মুখপাত্র এবং ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর সন্ত্রাসী গু/লিবর্ষণের প্রতিবাদে যশোরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫) বিকেলে শার্শা উপজেলা বিএনপি, জাতীয়তাবাদী যুবদল ও তাদের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল সাড়ে ৪টায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি শার্শা উপজেলা বিএনপির পার্টি অফিস থেকে যাত্রা শুরু করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
মিছিল শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা গু/লিবর্ষণের ঘটনায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বক্তারা বলেন, “জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর চালানো এই নৃশংস হামলা গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।”
নেতারা অভিযোগ করেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সমাবেশ থেকে হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সমাবেশের প্রধান বক্তা, যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদাদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত না হয়, তবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনসমূহ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।”
শার্শা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল মামুন বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শার্শা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি উসমান আলী, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম মনি সহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে আহত শরিফ ওসমান বিন হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়।
আমি এই হামলার প্রতিবাদে শার্শা উপজেলা থেকে অন্য কোনো

