জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে, গত শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিউইয়র্কের হোটেল স্যুটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকে তারা ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় নিজেদের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্বে ছিলেন লাটভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নিজামী গাঞ্জাভি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারের (এনজিআইসি) সহ-সভাপতি ভাইরা ভিকে-ফ্রেইবার্গা। এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্লোভেনিয়া, সার্বিয়া, লাটভিয়া, গ্রিস, বুলগেরিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, মরিশাস এবং ক্রোয়েশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টরা। এছাড়াও প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল এবং কমনওয়েলথের সাবেক মহাসচিবসহ জাতিসংঘের বেশ কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা।
ইউনূসের আজীবন অবদানের প্রশংসা
বৈঠকে বক্তারা দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ড. ইউনূসের আজীবন অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে বলেন, “আমরা এখানে এসেছি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে সমর্থন জানাতে। আমরা আপনার পাশে আছি।”
নেতারা উল্লেখ করেন, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে সম্প্রতি বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসনীয় হলেও, দেশটি এখনো বহু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে তারা বিগত ১৬ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি ও শোষণকে দায়ী করেন।
এই বৈঠক বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনের গুরুত্ব তুলে ধরে। এই ধরনের আন্তর্জাতিক সমর্থন দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

