৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের সঙ্গে শেখ হাসিনার পার্থক্য কোথায়?—প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে রিজভীর প্রশ্ন

আরো পড়ুন

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “আপনারা (সরকার) ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছেন। এই বাজেটের সঙ্গে শেখ হাসিনার পার্থক্য কী? শেখ হাসিনাও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছিলেন, আপনারাও দিয়েছেন।”

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, “এটা তো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার—ড. ইউনূসের সরকার। তাহলে তার হাত দিয়ে কেন বাজেটে এমন ভুল-ভ্রান্তি থাকবে, এটা মানুষ জানতে চায়। বাজেটের ২৩ শতাংশ খরচ হবে শুধু প্রশাসনের বেতন দিতে, আর ১৪ শতাংশ যাবে ঋণের সুদ পরিশোধে। তাহলে গরিবের জন্য কী থাকল? লাভের গুড় তো পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলেছে।”

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কম বরাদ্দের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য খাত আর শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলেও সেখানে বরাদ্দ কম। অথচ সাধারণ জনগণের চিকিৎসা ও শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ড. ইউনূস ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিলেন—দারিদ্র্য জাদুঘরে পাঠাবেন। এখন দেখছি, তার হাত দিয়েই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পাচ্ছে লুটেরা ও ব্যাংক ডাকাতরা।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, “আমরা চাই বাংলাদেশ ভালোভাবে চলুক। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। কিন্তু নির্বাচন কবে হবে—এই প্রশ্ন করলে উপদেষ্টা চুপ করে থাকেন। আগে সংস্কারবাদীদের সামনে এনে রাজনীতি করানো হতো, এখন সেটাও বলা হয় না।”

তিনি আরও বলেন, “সব গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ড. ইউনূসকে সমর্থন দিয়েছে, কারণ তিনি ভালো করবেন বলেই বিশ্বাস ছিল। কিন্তু বাজেটে দেখা যাচ্ছে—গরিব আরও গরিব হবে, মূল্যস্ফীতি কমবে এমন কোনো দিশা নেই। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়বে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ