যশোরে বিনামূল্যে হেলিকপ্টার সেবার উদ্বোধন একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সাধারণত, জরুরি চিকিৎসা সেবায় হেলিকপ্টার ব্যবহারের ধারণা উন্নত দেশগুলোতে দেখা যায়, কিন্তু বাংলাদেশে এটি প্রথমবারের মতো বিনামূল্যে চালু করা হলো, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
এই উদ্যোগের ইতিবাচক দিক:
দ্রুত চিকিৎসা সেবা – খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার ৬১৪টি পয়েন্ট থেকে জরুরি রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানো সম্ভব হবে, যা প্রাণ বাঁচাতে সহায়তা করবে।
বিনামূল্যে সেবা – দরিদ্র ও অসহায় রোগীরা কোনো খরচ ছাড়াই এই সুবিধা পাবেন, যা বাংলাদেশের মতো দেশে অনেক বড় সুযোগ।
আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নেতৃত্ব – এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সরকার ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব – বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহায়তায় এটি বাস্তবায়িত হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা বাড়তে পারে।
চ্যালেঞ্জ ও করণীয়:
পর্যাপ্ত ফান্ডিং ও রক্ষণাবেক্ষণ: দীর্ঘমেয়াদে এই পরিষেবা চালু রাখতে নিয়মিত অর্থায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হবে।
পর্যাপ্ত হেলিপ্যাড ও অবকাঠামো: দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও যদি এই পরিষেবা সম্প্রসারণ করা হয়, তবে অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।
সঠিক ব্যবস্থাপনা ও অপব্যবহার রোধ: এই সুবিধা যেন শুধুমাত্র প্রকৃত জরুরি রোগীরাই পান, তা নিশ্চিত করা দরকার।
এই উদ্যোগ যদি সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এমন পরিষেবা চালু হতে পারে। আপনার কি মনে হয়, সরকার ও অন্যান্য সংস্থাগুলো একে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করতে পারবে?

