যশোর-৩ আসনে গত দুবারের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন। একই দল থেকে স্বতন্ত্র লড়বেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ। এ আসনে জাতীয় পার্টির কিছু ভোট আছে। সেক্ষেত্রে এ দলের প্রার্থী মাহবুব আলম বাচ্চু কিছু ভোট পেতে পারেন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
যদিও এই আসনেও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আওয়ামী লীগনেতা মোহিত কুমার নাথের সঙ্গে নৌকার প্রার্থীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা ভোটারদের। এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে আছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর মারুফ হাসান কাজল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায়, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. তৌহিদুজ্জামান, তৃণমূল বিএনপির মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের শেখ নুরুজ্জামান। তবে, নির্বাচনি মাঝে তাদের তেমন উত্তাপ নেই আর ভোটারদের কাছেও তারা তেমন পরিচিতি নন বলে জানা গেছে।
নেতাকর্মীরা বলছে, দীর্ঘ এক যুগ ধরে যশোর জেলা আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। অপর পক্ষের নেতৃত্বে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। যশোর সদরে মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে শাহীনের সঙ্গে বর্তমান এমপি নাবিলের এক ধরনের দ্বন্দ্ব রয়েছে। সদর উপজেলায় শাহীনের বেশ প্রভাব রয়েছে। অনুসারী রয়েছে অনেক। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নাবিলের সহজ জয়ের সমীকরণটা এবার আর থাকছে না। গ্রুপিং রাজনীতির চাঙ্গাভাবে নাবিলকে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই নামতে হবে মাঠে বলে মনে করেছেন নেতাকর্মীরা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহিত কুমার নাথ যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। প্রায় একযুগ ধরে তিনি এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ফলে তৃণমূল পর্যায় তার গভীর যোগাযোগ ও সখ্যতা রয়েছে। এর সুফল পাবেন তিনি বলছেন দলীয় সূত্রগুলো।
জাগো/আরএইচএম

