বিএনপির অভিযোগ হলো, বর্তমান সরকার খুন-গুমের মাধ্যমে বিরোধীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, সরকার খুন-গুমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বরং, সরকার খুন-গুমের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছে।
বিরোধী দলের অধিকার
বিরোধী দলের অধিকার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত কিংবা অন্য দল, যত ধরনের প্রোগ্রাম করতে চেয়েছে, সরকার কোনোটাতেই বাধা দেয়নি। কিন্তু বিএনপির সমাবেশে সহিংসতা হয়েছিল। এজন্য সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ হলো, সরকার বিরোধী দলের অধিকার হরণ করছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, সরকার বিরোধী দলের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে, বিরোধী দল যদি সহিংসতা করে, তাহলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য।
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের যদি আপত্তি থাকে, তবে তারা সমাবেশ করতে পারবে না। নিরাপত্তা বাহিনীর যদি মনে হয় যে, সমাবেশের ফলে পরিবেশ নষ্ট হবে, তবে তারাও আপত্তি জানাতে পারে।
হেফাজতে ইসলামের অভিযোগ হলো, সরকার তাদের সমাবেশে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, সরকার হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে বাধা দেওয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেয়নি। তবে, নির্বাচন কমিশন বা নিরাপত্তা বাহিনীর যদি আপত্তি থাকে, তাহলে সমাবেশ স্থগিত হতে পারে।
সামগ্রিক পর্যালোচনা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যে তিনি খুন-গুম, বিরোধী দলের অধিকার এবং হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের বিষয়ে কথা বলেছেন। তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, সরকার খুন-গুমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বিরোধী দলের অধিকারের প্রতিও সরকার শ্রদ্ধাশীল। হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
জাগো/আরএইচএম

