ব্যাটারিচালিত ভ্যান-রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছেন চালকরা।
বৃহস্পতিবার সকালে শহরের বিভিন্ন স্পটে প্রতিবাদমুখর অবস্থানে ছিলেন ব্যাটারি চালিত ভ্যান রিকশা চালকেরা।
পরে শহরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানা ভৈরব চত্ত্বরে সমাবেশ করেন তারা।
অন্যদিকে, শহরের বিভিন্নমুখে অবস্থান নেওয়া প্রতিবাদকারী চালকরা ভ্যান-রিকশা যাতায়াতকারী যাত্রীদের নামিয়ে দেন। ফলে পায়ে হেটে গন্তব্য যেতে হায় স্কুল কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী, কর্মজীবীদের।
সমাবেশে প্রতিবাদকারীরা বলেন, বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স প্রদান করে রোডে ব্যাটারি চালিত যানবাহন চলার অনুমতি দিতে হবে। যশোর ট্রাফিক পুলিশ ও পৌরসভা ব্যাটারি চালিত রিকশা থেকে বেআইনিভাবে মোটর ও ব্যাটারি খুলে নেয়া বন্ধ করতে হবে। অবিলম্বে এসব রিকশা চালকদের ক্ষতিপূরণ ও সড়কে চলার অনুমতি দেয়ার দাবি করেন তারা।
রিকশা চালকরা আরও বলেন, অনেক কিছু ক্ষতি করে একটি ইজিবাইক বা ভ্যান রিকশা করতে হয়েছে। অথচ হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে ৮/১০ হাজার পরিবারকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা চলতে দেবে না তারা। হয় বিকল্প কাজ দিতে হবে, অথবা চাল ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব যোগান দিতে হবে ।
শহরের আপন মোড় এলাকায় কথা হয় মহিলা কলেজের শিক্ষাথী ফারজানার সাথে। তিনি বলেন, সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্য বের হয় রিকশায়। কিন্তু আপন মোড় এসে গাড়ি আটকে দেয় অন্য রিকশা চালকরা। তারা রিকশা থেকে নামিয়ে দিলে পায়ে হেটে কলেজে যেতে হচ্ছে। আর এক ব্যাংক কর্মকর্তা আনোয়ার জাহিদ বলেন, অফিস যাবো এজন্য রিকশার জন্য দাড়িয়ে আছি। কিন্তু রাস্তায় কোর রিকশা নেই।’
এব্যাপারে যশোরে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান জানান, পৌরসভার ও জেলা প্রশাসনের কাজে ট্রাফিক সহায়তা করছে। আইনশৃংখলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মোটরচালিত অটোরিকশার মোটর ও ব্যাটারি খুলে নেয়া হচ্ছে। গত ৩ দিনের অভিযানে অটো রিক্সা ও ইজিবাইক মিলিয়ে দুইশোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
যশোরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) বেলাল হোসাইন জানান, আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা চলেছে দ্রুত সকল সমস্যার সমাধান হবে। শহরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্র আছে।

