ভিশন টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান সফলভাবে বাস্তবায়নের পর ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সারা দেশে স্মার্ট কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সব ভোটারের কাছে সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশের সব জেলায় স্থাপন করা হচ্ছে স্মার্ট কর্নার। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন করা হল।
রবিবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যশোর আওয়ামী লীগের স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বন্দুকের নলে ভর করে আসেনি। জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হয়েছে। তাই বিএনপিকে বলি ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন না, আমরা ভেসে আসিনি। বিএনপির জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। আপনারা সমাবেশ করছেন, আমরা জানি কেন করছেন। নির্বাচনও করবেন এজন্য। বিএনপিদেরকে বলি শেখ হাসিনার অধীনেই শুধু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আসেন, কিছু আসন পেলেও পেতে পারেন। জনগণ যদি ভোট দেয়, তাহলে কিছৃু আসন পেতে পারেন।’
তিনি আরো বলেন, ভিশন টোয়েন্টি টোয়েন্টি ওয়ান সফলভাবে বাস্তবায়নের পর ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সারা দেশে স্মার্ট কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশীল, স্বনির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার এই প্রয়াস। যা ডিজিটাল বাংলাদেশের আরও উন্নত রূপরেখা। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষিসহ সবক্ষেত্রে ব্যবহার হবে আধুনিক অনলাইন প্রযুক্তি। সব ভোটারের কাছে সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশের সব জেলায় স্থাপন করা হচ্ছে স্মার্ট কর্নার। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন করা হল।
কবির বিন আনোয়ার আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষ কর্মীদের দিয়ে অনলাইন ক্যাম্পেইনকে প্রাধান্য দিয়ে এই স্মার্ট কর্নারের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৭৮টি স্মার্ট কর্নার স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে। এরইমধ্যে ৩৩টির কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকিগুলো আগামী দেড় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। রোড টু স্মার্ট বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় এ স্মার্ট কর্নারের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ ও পারদর্শী হয়ে উঠবেন সব শ্রেণিপেশার মানুষ। নেতাকর্মীদের ডাটা বেইজ তৈরির পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমে তারা যে কোনো তথ্য অবগতসহ উন্নত বিশ্বের সব ধরনের শিক্ষা অর্জন করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন’র সভাপতিত্বে বক্তব্যে রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হায়দার গণি খান পলাশ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী রায়হান, গোলাম মোস্তফা, মেহেদী হাসান মিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুব লীগ নেতা মেহেদী হাসান, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আরবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মজিবুদ্দৌলা কনক’র পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন, যশোর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক ফারুক আহমেদ কচি, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর বাবু, শ্রম সম্পাদক কাজী আবদুস সবুর হেলাল, সদর উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, উপদপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লুৎফুল কবীর বিজু, সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তাক, মোস্তফা আশিষ দেবু, অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম তুহিন, এহসানুল রহমান লিটু, সামির ইসলাম পিয়াস মারুফ হোসেন খোকন, ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী, ছাত্র লীগের সভাপতি দেয়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, নওয়াপাড়া ইউনিয়রে চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির তুহিন, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ, জেলা পরিষদের সদস্য রেহেনা খাতুন, কাউন্সিলার হাজী সুমন, জাহিদ হোসেন মিলন।

