যশোরে বাওড় প্রহরী আব্দুর রহিমকে হত্যার আগে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। ময়নাতদন্তকালে চিকিৎসকরা লাশের শরীরে নির্যাতনের চিত্র দেখেছেন।
তবে, এখনো কোনো মামলা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো এজাহার না পাওয়ায় মামলা নেয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম।
ফরেনসিক মেডিকেল অফিসার বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, লাশের অবস্থা দেখে মনে হয়েছে মৃত্যুর আগে নির্যাতন করা হয়েছে। বার বার গলা চেপে ধরা হয়েছে । তার ফুসফুস ফেটে গেছে। শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীলে গরমপানি ঢালার চিহ্ন আছে ।
শুক্রবার সকালে যশোর সদরের আড়পাড়া এলাকার একটি ঘেরে পাশ থেকে উদ্ধার হয় বাওড় প্রহরী আব্দুর রহিমের মরদেহ। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। গতকাল শনিবার তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক মেডিকেল অফিসার বাবলু কিশোর বিশ্বাস সাংবাদিকদের কাছে লাশের অবস্থা ব্যাখ্যা দেন। বিস্তারিত রিপোর্টে প্রকাশ পাবে বলে জানান।
এদিকে এই ঘটনার দুইদিনেও থানায় মামলা হয়নি। হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে থাকলেও মামলা না হওয়ায় আতংকের মধ্যে রয়েছে নিহতের পরিবার।
তবে কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো এজাহার না পাওয়ায় মামলা নেয়া সম্ভব হয়নি।

