টানা দাবদাহের পর শুক্রবার (৯ জুন) যশোরে বৃষ্টিতে স্বস্তি মিলেছে। সেই সাথে কমেছে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় আপাতত বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই।
২ জুন থেকে যশোরে তাপমাত্রার বাড়তে থাকে। এরপর থেকে প্রতিদিনই যশোরে প্রচন্ড গরম পড়তে থাকে।
এক সপ্তাহ পর শুক্রবার (৯ জুন) বিকালে ঠান্ডা বাতাস অনুভূত হতে থাকে। এরপর শুরু হয় হালকা বৃষ্।
যশোর বিমান বন্দর সংলগ্ন আবহাওয়া অফিস বলছে, শুক্রবার ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। হালকা বৃষ্টির পরিমান নির্ধারণ করা যায়নি।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) যশোর বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দ্বিন মোহাম্মদ জানান, শুক্রবার যশোরে বিদ্যুতের চাহিদা ছিলো ৩৮ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। ফলে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কম হয়েছে।

