কোরবানি ঈদে যশোরে চাহিদার তুলনায় বেশি পশু 

আরো পড়ুন

আসন্ন কোরবানি ঈদে এ বছর যশোরে পশু সংকট নেই বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ফলে অনান্য বারের মতো এ বছরও সরকারিভাবে বাহিরের দেশ থেকে গরু আমদানি করা হবে না। এদিকে এবারের কোরবানির পশু হাঁটে পশু বেচাকেনা নির্বিঘ্নে করতে অনলাইন পশু হাটের পাশাপাশি থাকছে হাঁটে ক্যাশলেস লেনদনের সুবিধা। অন্যদিকে চোরাই পথে দেশে আসা কোন পশু যাতে হাঁটে উঠতে না পারে সে দিকেও লক্ষ্য রাখবেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, এ বছর যশোর জেলায় মোট গরুর চাহিদা ২৭ থেকে ২৯ হাজার থাকলেও সরবরাহ রয়েছে ৩১ হাজার দেশি গরু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় দেশি গরুর সরবরাহ বেশি রয়েছে। অপরদিকে জেলায় মোট ছাগলের চাহিদা রয়েছে ৭০ হাজারেরও বেশি। তবে বর্তমান গণনা পর্যন্ত ছাগলের সরবরাহ রয়েছে ৪৯ হাজারেরও বেশি। তবে ছাগলের সরবরাহও কম হবে না বলে আশাবাদী প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর। তাদের গণনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর সুত্রে আরও জানা গেছে, এ বছর অনলাইনে পশু কেনাবেচার সুযোগের পাশাপাশি পশুহাটে থাকছে ক্যাশলেস সুবিধা। ফলে, টাকা ছিনতাই, জাল টাকার আদান-প্রদান এবং টাকা বহন করার ঝামেলা পোহাতে হবে না ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংক ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকরা এই ক্যাশলেস সুবিধা পাবেন। এ ছাড়াও এ বছর জেলার মোট ৯ হাজারেরও বেশি খামারি কমবেশি পশু বাজারজাত করবেন। এবার মোট যশোরে ২৪টি পশুহাট হবে। এরমধ্যে বৃহত্তর পশুহাট হবে শার্শা উপজেলার সাতমাইল পশুহাট। প্রতিটি হাঁটে একটি মেডিকেল টিম থাকবে, তারা রোগাক্রান্ত গাভিন গরু যাতে বেচাকেনা না হয় এ বিষয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা করবে। বাহিরের দেশের পশু আমদানি না হওয়ায় এবং চোরাচালান পুরোপুরি ভাবে রোধ করা গেলে যশোর অঞ্চলের খামারিরা এবছর ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদী প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

যশোরের বসুন্দিয়ার খামারি কামাল হোসেন বলেন, আমার খামারে ২২টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি গরু এবার কোরবানির ঈদে হাঁটে ওটাবো। আশা করি ভালো দাম পাবো।

মনিরামপুরের ঢাকুরিয়ার খামারি আফজাল হোসেন বলেন, যেহেতু গবাদিপশুর খাদ্যের দাম বেড়েছে, সেহেতু দামটাও ভালো পাওয়া উচিত। চোরাইপথের গরু হাটে না আসলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।

যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রানীসম্পদ অফিসার ডা: রাশেদুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ বছর যশোরে কোন পশুর সংকট নেই। আমাদের গননা চলমান রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলতে পারি আমাদের পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ রয়েছে। তাছাড়া আমরা মেডিকেল টিম তৈরি করছি, হাটে ক্যাশলেস সুবিধা থাকছে। সব মিলিয়ে কোরবানিকে সামনে রেখে আমরা সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করছি।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ