চলতি বছর বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গুজ্বর সংক্রমণ ছাড়াও মশাবাহী রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এতে রোগীর সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করে এখন থেকেই এ বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
বুধবার (২৪ মে) এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) পরিচালক ও মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এই শঙ্কার কথা জানান।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ডেঙ্গু রোগীর আক্রান্ত সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কয়েক গুণ বেশি হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়নি। সেজন্য আমরা মনে করি আগাম সর্তকতা ও প্রস্তুতি প্রয়োজন আছে। সেটি আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি। আমরা দেশবাসীকে এ জন্য সচেতন করতে চাই যেন, সবাই এই মৌসুমে নিজ নিজ জায়গা থেকে স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা মেনে চলি।
অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম আরো বলেন, আমাদের সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও আছেন। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক ব্যবস্থাপনার কাজগুলো আরো জোর দিয়ে করা গেলে এই বছর যে ভয়-ভীতি, সেটি আমরা কাটিয়ে উঠতে পারবো। গত বছর যে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু হয়েছে তাও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অধিদফতর ও দুই সিটি করপোরেশনের কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

