বাগেরহাটের চুলকাঠিতে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার (২০ মে) রাতে দুইজনকে আসামি করে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম আজিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভুক্তভোগী গৃহবধূর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন ও ঘটনায় জড়িত এক দালাল গ্রেফতার হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গৃবধূর ধর্ষণকারীকে আটকের পর বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে তিরষ্কার করে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে শনিবার রাতে এক পুলিশ ইন্সেপেক্টরকে প্রত্যাহার করা হয়।
সরেজমিনে বাগেরহাট সদর উপজেলার ভট্ট বলিয়াঘাটা এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, ভট্ট বলিয়াঘাটা এলাকায় চট্টগ্রামে কর্মরত এক ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে মাছুম নামের এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি শুক্রবার (১৯ মে) রাতে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা জানাজানি হলে চুলকাঠি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু হানিফ (তদন্ত ওসি নিরস্ত্র), ছাত্রলীগ নেতা আনিসুর রহমান, আজমল হোসেন, আলী হোসেন ও ইউপি সদস্য বাপ্পী ঘটনাস্থলে গিয়ে মাসুমকে আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন।
অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগ নেতা আনিস ওই ভিকটিমের মোবাইল থেকে বিকাশে ও নগদ ক্যাশ হিসেবে প্রায় বিশ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে গভীর রাত পর্যন্ত দেন দরবার ও তিরষ্কার করে বিশেষ সুবিধার পর একটি সাদা কাগজে মুচলেকা গ্রহণ করে আনিস, আজমল ও বাপ্পীর জিম্মায় মাসুমকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শনিবার (২০ মে) বাগেরহাট সদর থানা পুলিশ ভিকটিমকে থানায় নিয়ে আসে। পরে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

