‘মানুষের জন্য আইন, আইনের জন্য মানুষ নয়’ উল্লেখ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর কর্মকর্তারা বলছেন— সামনে নির্বাচন, তাই নির্বাচনের দিনগুলোতে নানা ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এসব বিষয়ে মাথায় রেখে পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে যাবে পুলিশ। জনগণের কোনো ক্ষতি যেন না হয়, সে বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তারপরও যদি কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকে, তা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহবান জানান কর্মকর্তারা।
ডিএমপি বলছে, সামনের দিনগুলোতে আরো ভালোভাবে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন পুলিশের প্রতিটি সদস্য। জনগণের পাশে থেকে তাদের উপকারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পুলিশ কাজ করবে। যেকোনো দুর্যোগের মুহূর্তে বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের পাশে রয়েছে।
ডিএমপি আরো বলছে, অপেশাদার কাজের কারণে কোনো ধরনের ঝুঁকির পরিবেশ তৈরি হোক,পুলিশকে সে ধরনের কাজ বর্জন করতে বলা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা এমন কোনো কাজ করবে না, যা প্রশ্নবিদ্ধ করে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা মানবিকতার বিরুদ্ধে যায়, নীতি-নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়।
ডিএমপি বলছে, জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়ে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়। যদি আমাদের পজিটিভ দিকগুলো তুলে ধরা হয়, তাহলে পুলিশ সদস্যরা অনুপ্রেরণা পান। ভালো কাজগুলোকে সামনে রেখে— ভালো কাজ করতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত যখন চারদিকে আগুনসন্ত্রাস চলছিল, তখন পুলিশ মানবিক কাজ করেছিল। মানুষকে রক্ষা করা, আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখার কাজ করেছিল পুলিশ। ২০১৬ সালের পর থেকে সে ধরনের কোনো ঘটনা ঘটছে না।’
তিনি বলেন, ‘সারা বছরই বিভিন্ন ঘটনা-দুর্ঘটনার বিষয়গুলো আমাদের দেখভাল করতে হয়। তদন্ত করতে হয়। নির্বাচন চলে এসেছে। আমরা জানি, সামনের দিনগুলোতে আমাদের আরো অনেক কাজ করতে হবে। আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবো।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে ৩২ হাজার সদস্য রয়েছে। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এই বিশাল বাহিনীর মধ্যে দুই-একজনের অপেশাদার আচরণ কিংবা যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় ডিএমপি নেবে না। পুলিশের প্রতিটি সদস্যের ভালো কাজের সঙ্গে থাকবে ডিএমপি।
জাগো/আরএইচএম

