ঈদের ছুটিতে অতিরিক্ত ছাড়, পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজারের হোটেল

আরো পড়ুন

ঈদুল ফিতরে মিলছে লম্বা ছুটি। এ ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে লাখো পর্যটক আসবে, আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। তাই অনেক হোটেলে ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছে। এরই মধ্যে আশানুরূপ রুম বুকিং পাচ্ছে তারকামানের হোটেলগুলো। তাই কক্সবাজারে লেগেছে ঈদের হাওয়া। ঈদের টানা ছুটিকে ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

রোজায় পর্যটকশূন্য বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। সৈকতের নোনাজল বা বালুচর যেমন ফাঁকা ঠিক তেমনি ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল-রিসোর্টেও নেই পর্যটকের আনাগোনা। সামনে ঈদ। রয়েছে ঈদের টানা কয়েকদিনের ছুটি। পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের টানা ছুটিতে প্রচুর পর্যটক কক্সবাজার আসবে। তাই হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁগুলোকে সাজানো হয়েছে নতুনরূপে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তোলা হয়েছে নতুন নতুন পণ্য। এরইমধ্যে আশানুরূপ রুম বুকিং পেতে শুরু করেছে সৈকতপাড়ের তারকামানের হোটেলগুলো।

আবাসিক হোটেল সীগালের সহকারী ব্যবস্থাপক নুর মোহাম্মদ রাব্বী বলেন, ঈদে পর্যটক বরণের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। খুব বেশি না হলেও আশানুরূপ পর্যটক ভ্রমণে আসবেন, এমনটিই আশা করছি। এ জন্য আলাদা আলাদা বিশেষ প্যাকেজও রয়েছে।

বৃহত্তর বিচ ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি আবদুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত হয়ে উঠবে কক্সবাজার। এরই মধ্যে পর্যটক বরণের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

আর গেল বছরের তুলনায় এ বছর ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকরা বিভিন্ন হোটেলে ৫০ শতাংশ ছাড়ে রুম পাবে বলে জানালেন হোটেল মালিক সমিতির নেতারা।

মোর্চা ফেডারেশন অব ট্যুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ঈদের ছুটি পাঁচ দিন হলেও টানা সাত দিন কক্সবাজারে পর্যটক আসবেন। অনেক পর্যটক এরইমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছেন। বৈশাখের উত্তাল সাগর পর্যটকদের ভিন্ন আমেজ দেবে। ফেডারেশনভুক্ত আবাসিক হোটেল মোটেল গেস্ট হাউসে ৪০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেউ যদি ছাড় না দেন পর্যটকরা যেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ছাড়ের ব্যবস্থা করে দেবেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার শেহরিন আলম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকের পদচারণায় আবারো চিরচেনা রূপে ফিরবে সৈকতসহ পর্যটন এলাকা। নিরাপত্তা জোরদার করে পর্যটকদের সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা। এরই মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

শেহরিন আলম জানান, সৈকত ছাড়াও অন্যান্য পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ সৈকতের প্রবেশপথে তল্লাশিচৌকি স্থাপন, সৈকতে পোশাকধারীর পাশাপাশি সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে। সৈকতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য দল গঠন করা হয়েছে।

সৈকতপাড়ের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্টে প্রতিদিন রাতযাপন করতে পারে প্রায় দেড় লাখের বেশি ভ্রমণপিপাসু।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ