দেশে জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে

আরো পড়ুন

প্রচণ্ড তাপে পুড়ছে দেশ। চৈত্রের তীব্র তাপপ্রবাহ বৈশাখের শুরুতে এসে অতি তীব্র হয়েছে। ফলে শহর-গ্রাম কোথাও স্বস্তিতে নেই মানুষ। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও নারীদের কষ্ট এ পরিস্থিতিতে চরমে উঠেছে।

রমজানের এই সময়ে রোজাদারদের অবস্থা আরো কষ্টকর। সারাদিন পানি পান না করায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

সাধারণের ধারণা, এ বছরের তাপপ্রবাহ মানুষের বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ সীমায় রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যও মিলে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের এ ধারণার সঙ্গে। গতকাল শনিবার ঢাকায় গত ৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে।

২০১৪ সালের এপ্রিলে রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শনিবার তাপমাত্রা ঠেকেছিল ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা ‘অতি তীব্র’ তাপমাত্রা হিসেবে উল্লেখ করেছেন আবহাওয়াবিদরা।

এ অবস্থায় যেকোনো সময় অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সংকট মোকাবিলায় ‘তাপমাত্রাজনিত জরুরি অবস্থা’ জারি করা হতে পারে বলে শনিবার জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দীন।

তিনি বলেন, তীব্র গরমে জনজীবনে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আমরা চিন্তাভাবনা করছি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যায় কি না। গত দুদিন শুক্র ও শনিবার অফিস-আদালতে ছুটি ছিল। তাই রবি ও সোমবার দুদিন অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তাপমাত্রা যদি এরপরও বাড়তে থাকে, তবে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, গতকাল রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায়- সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার পর্যন্ত টানা ১৪ দিন চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ